Showing posts with label Bangla Grammar. Show all posts
Showing posts with label Bangla Grammar. Show all posts

Bangla Bornomala Tricks বাংলা বর্ণমালা

বাংলা বর্ণমালা
Bangla Bornomala Tricks/bdobsguide


বাংলা বর্ণ থেকে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন যাহা যেকোন পরিক্ষাতে আসতে পারে

1. স্বরবর্ণ - 11টি
2. ব্যঞ্জনবর্ণ - 39 টি
3.  মৌলিক স্বরধ্বনি - 7 টি
4. যৌগিক স্বরধ্বনি -২টি
5. যৌগিক স্বর জ্ঞাপক বর্ণ - ২৫টি।
6. হ্রসস্বর স্বরধ্বনি - 4 টি
7. দীর্ঘস্বর স্বরধ্বনি - 7টি
8. মাত্রাহীন - 10 টি
9. অর্ধমাত্রা - 8 টি
10. পূর্ণমাত্রা - 32 টি
11. কার - 10 টি
12. স্পর্শবর্ণ - 25 টি


--এক নজরে বাংলা বর্ণমালা----
1.  বাংলা বর্ণমালায় মোট বর্ণ আছে ৫০টি।
 (স্বরবর্ণ ১১টি + ব্যঞ্জণবর্ণ ৩৯টি)
2.  বাংলা বর্ণমালায় মোট স্বরবর্ণ ১১টি
    (হ্রস্ব স্বর ৪টি + দীর্ঘ স্বর ৭টি)
3. বাংলা বর্ণমালায় মোট ব্যঞ্জণবর্ণ ৩৯টি
    (প্রকৃত ৩৫টি + অপ্রকৃত ৪ টি)
4. বাংলা বর্ণমালায় পূর্ণমাত্রাযুক্তবর্ণ  আছে ৩২টি
   (স্বরবর্ণ ৬টি + ব্যঞ্জণবর্ণ ২৬টি)
5. বাংলা বর্ণমালায় অর্ধমাত্রাযুক্তবর্ণ ---আছে ৮টি
  (স্বরবর্ণ ১টি + ব্যঞ্জণবর্ণ ৭টি)
6.  বাংলা বর্ণমালায় মাত্রাহীন বর্ণআছে---১০টি
(স্বরবর্ণ৪টি + ব্যঞ্জণবর্ণ ৬টি)
7. বাংলা বর্ণমালায় কার আছে এমন----স্বরবর্ণ ১০টি (“অ” ছাড়া)
8.  বাংলা বর্ণমালায় ফলা আছে এমন---
ব্যঞ্জণবর্ণ ৫টি (ম, ন, ব,য, র) { সৌমিত্র শেখরের বই যে ৬টি ।
যেমন: ন, ম, য, র ল, ব
9.  বাংলা বর্ণমালায় স্পর্শধ্বনি/বর্গীয়
ধ্বনি আছে ২৫টি, (ক থেকে ম পর্যন্ত)
10. বাংলা বর্ণমালায় কন্ঠ/জিহবামূলীয়ধ্বনি আছে ৫টি
(“ক” বর্গীয়ধ্বনি)
11.  বাংলা বর্ণমালায় তালব্য ধ্বনি আছে৮টি
(“চ” বর্গীয় ধ্বনি + শ,য, য়)
12.  বাংলা বর্ণমালায় মূর্ধন্য/পশ্চাৎদন্তমূলীয় ধ্বনি আছে
৯টি (“ট” বর্গীয়ধ্বনি + ষ, র, ড়, ঢ়)
13.  বাংলা বর্ণমালায় দন্ত্য ধ্বনি আছে৭টি
(“ত” বর্গীয় ধ্বনি + স,ল)
14.  বাংলা বর্ণমালায় ওষ্ঠ্য ধ্বনি আছে৫টি
(“প” বর্গীয় ধ্বনি)
15.  বাংলা বর্ণমালায় অঘোষ ধ্বনি আছে ১৪টি 
(প্রতি বর্গের ১ম ও ২য় ধ্বনি + ঃ, শ, ষ, স)
16.  বাংলা বর্ণমালায় ঘোষ ধ্বনি আছে---১১টি
(প্রতি বর্গের ৩য় ও ৪র্থ ধ্বনি + হ)
17.  বাংলা বর্ণমালায় অল্পপ্রাণ ধ্বনিআছে
১৩টি (প্রতি বর্গের ১ম ও ৩য় ধ্বনি + শ, ষ, স)
18. বাংলা বর্ণমালায় মহাপ্রাণ ধ্বনিআছে
১১টি (প্রতি বর্গের ২য় ও ৪র্থ ধ্বনি + হ)

19. বাংলা বর্ণমালায় নাসিক্য/অনুনাসিকধ্বনি আছে ৮টি
(প্রতি বর্গের ৫ম ধ্বনি + ং, ৺, ও)
20. বাংলা বর্ণমালায় উষ্ম/শিষ ধ্বনি--৪টি 

    (শ,ষ, স, হ)
21. বাংলা বর্ণমালায় অন্তঃস্থ ধ্বনি----৪টি (ব,য, র, ল)
22.   বাংলা বর্ণমালায় পার্শ্বিক ধ্বনি----১টি (ল)
23.  বাংলা বর্ণমালায় কম্পনজাত ধ্বনি---১টি (র)
24.  বাংলা বর্ণমালায় তাড়নজাত ধ্বনি---২ টি (ড়, ঢ়)
Share:

Samas Tricks কোনটা কোন সমাস

Samas Tricks  কোনটা কোন সমাস
Samas Tricks  কোনটা কোন সমাস
সমাস বাংলা ব্যাকরণের একটি গুরুত্ব পূর্ন অধ্যায়। এখান থেকে যে কোন চাকুরীর পরিক্ষায় প্রশ্ন আশে নিচে আপনাদের জন্য সহজে মনে রাখতে পারবেন সে নোট
কোনটা কোন সমাস।
দ্বিগু সমাস কিভাবে চিনবেন জানেন? আচ্ছা, দ্বিগু শব্দের “দ্বি ” মানে কী? দ্বিতীয় শব্দে “দ্বি ” আছে না? আমরা ২ বুঝাতে “দ্বি ” শব্দটি ব্যবহার করি। ২ মানে কী? একটি সংখ্যা। তাহলে যে শব্দে সংখ্যা প্রকাশ পাবে এখন থেকে সেটাকেই “দ্বিগু ” সমাস বলে ধরে নিবেন। যেমন পরীক্ষায় আসলো শতাব্দী কোন সমাস? আচ্ছা শতাব্দী মানে হল শত অব্দের সমাহার। অর্থাৎ প্রথমেই আছে “শত ” মানে একশ, যা একটি সংখ্যা। সুতরাং এটি দ্বিগু সমাস। একইভাবে ত্রিপদী ( তিন পদের সমাহার)এটি ও দ্বিগু সমাস। কারণ এখানে ও একটি সংখ্যা (৩) আছে। এবার যেকোন ব্যাকরণ বই নিয়ে দ্বিগু সমাসের যত উদাহরন আছে সব এই সুত্রের সাহায্যে মিলিয়ে নিন।
এবার আসুন কর্মধারয় সমাসে। খুব বেশি আসে পরীক্ষায় এখান থেকে। কর্মধারয় সমাসে “যে /যিনি/যারা ” এই শব্দগুলো থাকবেই। যেমন: চালাকচতুর – এটি কোন সমাস? চালাকচতুর মানে ‘যে চালাক সে চতুর ‘ তাহলে এখানে ‘যে ‘ কথাটি আছে,অতএব এটি কর্মধারয় সমাস। তবে কর্মধারয় সমাস ৪ প্রকার আছে। মুলত এই ৪ প্রকার থেকেই প্রশ্ন বেশি হয়। প্রথমেই আসুম মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস চিনি। নামটা খেয়াল করুন, মধ্যপদলোপী। মানে মধ্যপদ অর্থাৎ মাঝখানের পদটা লোপ পাবে মানে চলে যাবে। সহজ করে বললে হয়, যেখানে মাঝখানের পদটা চলে যায় সেটিই মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস। যেমনঃ সিংহাসন -কোন সমাস? সিংহাসন মানে ‘সিংহ চিহ্নিত যে আসন ‘। তাহলে দেখুন এখানে ‘সিংহ চিহ্নিত যে আসন ‘ বাক্যটি থেকে মাঝখানের “চিহ্নিত ” শব্দটি বাদ দিলে অর্থাৎ মধ্যপদ “চিহ্নিত ” শব্দটি লোপ পেলে হয় “সিংহাসন “। যেহেতু মধ্যপদলোপ পেয়েছে, অতএব এটি মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস।
উপমান কর্মধারয় সমাস কিভাবে চিনবেন জানেন? যদি ২টি শব্দ তুলনা করা যায় তবে সেটি হবে উপমান কর্মধারয় সমাস। যেমনঃ তুষারশুভ্র – কোন সমাসের উদাহরন? এটি পরীক্ষায় অনেকবার এসেছে। শব্দটি খেয়াল করুন “তুষারশুভ্র “। তুষার মানে বরফ, আর শুভ্র মানে সাদা। বরফ তো দেখতে সাদা। তাহলে তো এটি তুলনা করা যায়। অতএব এটি উপমান কর্মধারয়। একইভাবে “কাজলকালো “এটিও উপমান কর্মধারয় সমাস। কারণ কাজল দেখতে তো কালো রঙেরই হয়। তার মানে তুলনা করা যাচ্ছে। অতএব এটি উপমান কর্মধারয়।
এটি অন্যভাবে ও মনে রাখা যায়। উপমান মানে Noun + Adjective. যেমন তুষারশুভ্র শব্দটির তুষার মানে বরফ হল Noun, আর শুভ্র মানে সাদা হল Adjective। কাজলকালো শব্দটির কাজল হল Noun, এবং কালো হল Adjective। অতএব Noun + Adjective = উপমান কর্মধারয় সমাস।
উপমিত কর্মধারয় মানে যেটা তুলনা করা যাবে না। বিগত বছরের একটি প্রশ্ন ছিল :সিংহপুরুষ – কোন সমাসের উদাহরণ? খেয়াল করুন শব্দটি। সিংহপুরুষ মানে সিংহ আর পুরুষ। আচ্ছা সিংহ কি কখনো পুরুষ হতে পারে নাকি পুরুষ কখনো সিংহ হতে পারে? একটা মানুষ আর অন্যটা জন্তু, কেউ কারো মত হতে পারেনা। অর্থাৎ তুলনা করা যাচ্ছে না। তার মানে যেহেতু তুলনা করা যাচ্ছেনা, অতএব এটি উপমিত কর্মধারয় সমাস। চন্দ্রমুখ শব্দটি কোন সমাস? খেয়াল করুন মুখ কি কখনো চাঁদের মত হতে পারে, নাকি চাঁদ কখনো মুখের মত হতে পারে? কোনোটাই কোনটার মত হতে পারেনা। অর্থাৎ তুলনা করা যাচ্ছে না। তার মানে যেহেতু তুলনা করা যাচ্ছেনা, অতএব এটি উপমিত কর্মধারয় সমাস।
এটিও অন্যভাবে মনে রাখা যায়। উপমিত মানে Noun+ Noun. যেমন -পুরুষসিংহ শব্দটির পুরুষ ও সিংহ দুটোই Noun। অর্থাৎ Noun+ Noun। একইভাবে চন্দ্রমুখ শব্দটির চন্দ্র ও মুখ দুটিই Noun । অর্থাৎ Noun+ Noun। অতএব । অর্থাৎ Noun+ Noun= উপমিত কর্মধারয় সমাস
বাকি থাকল রুপক কর্মধারয় সমাস। এটিও খুব সোজা। রুপ- কথাটি থাকলেই রুপক কর্মধারয়। যেমনঃ বিষাদসিন্ধু -এটি কোন সমাস? বিষাদসিন্ধু কে বিশ্লেষণ করলে হয় “বিষাদ রুপ সিন্ধু “। যেহেতু এখানে রুপ কথাটি আছে, অতএব এটি রুপক কর্মধারয় সমাস। একইভাবে মনমাঝি -মনরুপ মাঝি, ক্রোধানল -ক্রোধ রুপ অনল, এগুলো ও রুপক কর্মধারয় সমাস, যেহেতু রুপ কথাটা আছে।
bdjobsguide

<
Share:

Like fb pages

Search Any Job Related

Popular Posts

কুইজে অংশ নিন আর জিতুন পুরুস্কার