Showing posts with label Math Tricks. Show all posts
Showing posts with label Math Tricks. Show all posts

Simple solutions to simple numbers সরল অংকের সহজ সমাধান

Simple solutions to simple numbers সরল অংকের সহজ সমাধান


সরল অংক হল সেই গণিত সমস্যার ধরন যেখানে সংখ্যা দিয়ে সমস্যার সমাধান করতে হয়। সরল অংকের সহজ সমাধান করার জন্য কিছু টিপস নিম্নে দেওয়া হলো।

1. সমস্যাটি ভালোভাবে পড়ুন এবং সমস্যাটি সম্পর্কে ভাবতে থাকুন

2. সমস্যার প্রশ্নটি বুঝতে পারলে সংখ্যাটি পড়ে দেখুন

3. সংখ্যাটি অংক হলে, এটি যোগ করা, বিয়োগ করা, গুণ করা বা ভাগ করার জন্য সহজ

4. সংখ্যাটি বিভাজ্য সংখ্যা হলে, সেটি ভাগ করার জন্য সহজ হবে

5. যদি সংখ্যাটি বৃহত্তর হয়, তবে এটি উপসর্গ, পরিমাণ এবং গুনিতক ব্যবহার করে সমাধান করা যেতে পারে

6. একটি সমস্যার সমাধান করতে প্রয়োজনীয় কল্পনাশক্তি বা নির্ণয়শক্তি পাওয়া না গেলে, অন্য সমস্যার সমাধানের জন্য সামগ্রী পড়ে দেখুন

মনে রাখুন একটি ইংরেজি শব্দ   BODMAS

B (Bracket)  = বন্ধনী

O (of)      = এর

D (Division) = ভাগ

M (Mulstiplication ) = গুন

A (Addition ) = যোগ

S (Subtraction) = বিয়োগ


সরল করার নিয়ম হ‌লো:-

1. য‌দি বন্ধনী থা‌কে তাহ‌লে আ‌গে বন্ধনীর কাজ কর‌তে হয় ৷ যেমন: প্রথম বন্ধনী ( ), দ্বিতীয় বন্ধনী { }, তৃতীয় বন্ধনী [ ]

2. প্রথ‌মে প্রথম বন্ধনী, তারপর দ্বিতীয় বন্ধনী, শে‌ষে তৃতীয় বন্ধনীর কাজ কর‌তে হয়।

3. বন্ধনীর ভিত‌রে প্রথ‌মে ভাগ-গুণ, তারপর যোগ-বি‌য়োগ‌ের কাজ কর‌তে হয় । প্র‌ত্যেক বন্ধনীর ক্ষে‌ত্রে এরুপ ব্যবহার কর‌তে হ‌বে।

4. বন্ধনী না থাক‌লেও প্রথ‌মে ভাগ-গুণ, তারপর যোগ-বি‌য়োগ‌ের কাজ কর‌তে হয়।

Simple solutions to simple numbers সরল অংকের সহজ সমাধান


Share:

Math Tricks short note, লসাগু,গসাগু, সেট, পরীসিমা

Math Tricks short note, লসাগু,গসাগু, সেট, পরীসিমা
math tricks



লসাগু,গসাগু, সেট, পরীসিমা এর গুরুত্বপূর্ণ সংজ্ঞা ও সূত্র সমূহ

লসাগু কাকে বলে
দুই বা ততোধিক সংখ্যার সাধারণ গুণিতক এর মধ্যে ক্ষুদ্রতম গুনিতক ক্রেতাদের লঘিষ্ঠ সাধারণ গুণিতক লসাগু বলা হয়।

লসাগু নির্ণয় পদ্ধতি কয়টি
সাধারণত তিনটি পদ্ধতিতে লসাগু নির্ণয় করা হয়ে থাকে। যথা পর্যবেক্ষণ পদ্ধতি উৎপাদক পদ্ধতি ইউক্লিডীয় পদ্ধতি। এর মধ্যেই ইউক্লিডীয় পদ্ধতি সবচেয়ে জনপ্রিয়।

গসাগু কাকে বলে
দুই বা ততোধিক সংখ্যার সবচেয়ে বড় সাধারণ গুননীয়ক কে গরিষ্ঠ সাধারণ গুণনীয়ক বা গসাগু বলা হয়।
গুননীয়ক সংখ্যা কাকে বলে

যদি কোন সংখ্যাকে অপর একটি সংখ্যা দ্বারা নিঃশেষে ভাগ করা যায় তাহলে দ্বিতীয়টিকে প্রথমটির গুননীয়ক বলে।

গসাগু নির্ণয়ের পদ্ধতি কয়টি
দুটি পদ্ধতি নির্ণয় করা হয়ে থাকে 
১. উৎপাদক পদ্ধতি 
২. প্রচলিত ভাগ প্রক্রিয়া

প্রয়োজনীয় সূত্র সমূহ
Math
math tricks



সেট এর বিভিন্ন সংখ্যাগুলোকে কি বলা হয় তা নিম্নে দেওয়া হল
Math Tricks short note, লসাগু,গসাগু, সেট, পরীসিমা




পরীসিমার গুরুত্বপূর্ণ সূত্র সমূহ
পরিসীমা: কোন ক্ষেত্র বা তলের চতুর্দিকের মোট দুরুত্বকে ঐ ক্ষেত্র বা তলের পরিসীমা বলা হয়
Math Tricks short note, লসাগু,গসাগু, সেট, পরীসিমা










Share:

Percentage Formula শতকরা সব সূত্র ও উদাহারন

Percentage  Formula শতকরা সব সূত্র ও উদাহারন
Percentage  Formula শতকরা সব সূত্র ও উদাহারন/BDJOBSGUIDE

শতকরা
শতকরা শব্দের অর্থ প্রতি 100 তে কত। শতকরা হলো একটি ভগ্নাংশ যার হার সব সময় 100 লব হলো শতকরা নির্ণয়ের সংখ্যাটি। শতকরা সাংকেতিক চিহ্ন হিসেবে %  ব্যবহৃত হয়। 
টেকনিক:: শতকরা 10 বললে বুঝতে হবে প্রতি 100 ভাগের 10 ভাগ।
শতকরা ১০= ১০/১০০, ১০% একই অর্থে ব্যবহৃত হয়।
শতকরা সমাধান পদ্ধতি
শতকরা সমস্যাকে তিন পদ্ধতিতে সমাধান করা যায় যথা 
১. ঐকিক নিয়ম ২. সমানুপাতিক নিয়মে ৩. সূত্রের সাহায্যে।

শতকরার ব্যবহার
1)  একটি  সংখ্যার শতকরা নির্ণয় করা
২) একটি সংখ্যা অন্য আর একটি সংখ্যার কত অংশ তা নির্ণয় করা।
৩.) একটি সংখ্যার শতকরা অংক দেওয়া থাকলে সংখ্যাটি নির্ণয় করা।
৪.) শতকরার হ্রাস বৃদ্ধি নির্ণয় করা
৫) সুদকষা, লাভ-ক্ষতি, জনসংখ্যা হ্রাস- বৃদ্ধির হার নির্ণয় করা

শতকরা প্রকৃতপক্ষে একটি ভগ্নাংশ যার হওয়ার 100 এবং লাভ হলো শতকরা নির্ণয় সংখ্যাটি যেমন ২০ অংকটি শতকরা প্রকাশ করলে হবে 20 শতাংশ।



হ্রাস-বৃদ্ধির হার এর সূত্র:
Percentage  Formula শতকরা সব সূত্র ও উদাহারন



Percentage  Formula শতকরা সব সূত্র ও উদাহারন
Percentage  Formula শতকরা সব সূত্র ও উদাহারন


নিচে আপনাদের জন্য উদাহারন দেওয়া হল:





Share:

definition statistics math পরিসংখ্যান কাকে বলে


statistics defintion
About Statistics

পরিসংখ্যান কাকে বলে
উত্তর পরিসংখ্যান বলতে কোন ঘটনা বা বিষয়ের সংখ্যাত্মক পরিমাপ অর্থাৎ তথ্য বুঝায়। কোন কোন পরিসংখ্যানবিদ একে সংখ্যা তথ্য তথ্য আবার কে গো একে সংখ্যা নিয়ে গবেষণা বিজ্ঞান হিসেবে সংজ্ঞায়িত করেছেন। পরিসংখ্যান হচ্ছে তথ্য বিষয়ক বিজ্ঞান যেমন জনসংখ্যা বিষয়ক জন্ম মৃত্যু দ্রব্যমূল্য মজুরি ইত্যাদি বিশিষ্ট সংখ্যাতত্ত্ব তাদের পরিসংখ্যান বুঝানো হয়।



পরিসংখ্যান এর উদ্দেশ্য কি বুঝায়।
উত্তর অনিশ্চিত কোন বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ নীতি ও পদ্ধতি প্রণয়ন কিংবা কোনো পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য সংখ্যা ভিত্তিক গবেষণা হচ্ছে পরিসংখ্যান এর মূল প্রতিপাদ্য।

পরিসংখ্যানের উপাত্ত কি।
কোন শহরে অধিবাসীদের বয়স বাড়ায় কোন স্থানে দৈনিক সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বা বৃষ্টিপাতের পরিমাণ বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দৈনিক আয় ইত্যাদি সংখ্যার মাধ্যমে প্রকাশ হলো উপাত্ত।

উপাত্ত কয় ভাবে সংগৃহীত করা হয়
উত্তর দু'ভাবে যথা অভি নেস্ত উপাত্ত ও বিন্যস্ত উপাত্ত।
অভি ন্যস্ত উপাত্ত হল সাধারণত এলোমেলো ভাবে সংগৃহীত উপাত্তকে অবিন্যস্ত উপাত্ত বলে।
শ্রেণীবিন্যাস এর সাহায্যে প্রাপ্ত উপাত্ত কে বিন্যস্ত উপাত্ত বলে।

শ্রেণি ব্যাপ্তি কাকে বলে
প্রতিটি শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত ক্ষুদ্রতম সংখ্যা এবং বৃহত্তম সংখ্যার পার্থক্য কে ওই শ্রেণীর ব্যক্তি বলা হয়।
ঘটনা সংখ্যা কাকে বলে।
উপাত্ত গুলোর মধ্যে কোন একটি মান যতবার উপস্থিত থাকে তাকে ঘটনা সংখ্যা বলা হয় 

মধ্যক কাকে বলে
প্রদত্ত উপাত্ত গুলোকে মানের ক্রমানুসারে সাজালে যে মান উপাত্তগুলো কে সমান দুই ভাগে ভাগ করে তাকে উপাত্ত উপাত্ত গুলোর মধ্যক বা মধ্যমা বলে

প্রচুরক কাকে বলে
প্রদত্ত উপাত্তের মধ্যে যে সংখ্যাটি কি সর্বাধিক বার আছে সেটি প্রচুরক।

সূত্র
উপাত্তের সংখ্যাগুলোর পরিমাণ বিজোড় হলে মাঝের সংখ্যা =মধ্যক
জোট হলে মধ্যক = মাঝের দুই সংখ্যার যোগফল ভাগ 2
উপাত্তের সর্বাধিক বার সংখ্যাটি = প্রচুরক
উপাত্ত গুলোর গড়=উপাত্ত গুলোর সমষ্টি / পদ সংখ্যা।

Share:

Formula of Geometry জ্যামিতির কিছুর গুরুত্বপূর্ণ সূত্র

Formula of Geometry জ্যামিতির কিছুর গুরুত্বপূর্ণ সূত্র

গ্রিক শব্দ জ্যা ও মিতি নিয়ে গঠিত-জ্যামিতি। জ্যা অর্থ ভূমি আর মিতি অর্থ পরিমাপ। অতএব, জ্যামিতি শব্দের আভিধানিক অর্থ ভূমির পরিমাপ


1.সমকোনী ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল= (১/২ ভূমি উচ্চতা) বর্গ একক
2. সামান্তরিকের ক্ষেত্রফল= (ভূমি X উচ্চতা) বর্গ একক
3. সামন্তরিকের পরিসীমা= ২ (দৈর্ঘ্য + প্রস্ত) বর্গ একক
4. সামান্তরিকের দুই বাহু ও একটি কর্ণ দেওয়া থাকলে
5. রম্বসের ক্ষেত্রফল: ১/২ X (কর্ণদ্বয়ের দৈঘ্যের গুনফল) বর্গ একক
6.রবম্বসের পরিসীমা= ৪ X ১ বাহুর দৈঘ্য (একক)
7.ট্রাপিজিয়ামের ক্ষেত্রফল=১/২ X উচ্চতা X সমান্তরাল বাহুদ্বয়ের সমষ্টি
8. চাকা ঘুরার সংখ্যা বা বার= দুরুত্ব/চাকার পরিধি

Share:

Like fb pages

Search Any Job Related

Popular Posts

কুইজে অংশ নিন আর জিতুন পুরুস্কার